আইন-আদালতঘটনা-দুর্ঘটনা

চট্টগ্রামে এমপি মহিউদ্দিনের স্ত্রীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রামে এমপি মহিউদ্দিনের স্ত্রীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা
চট্টগ্রাম  ব্যুরো:
চট্টগ্রাম-১০ আসনের নবনির্বাচিত সাংসদ মো. মহিউদ্দিনের স্ত্রী জিন্নাত মহিউদ্দিনসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারী) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন সংঘর্ষে গুলিতে আহত শান্ত বড়ুয়া। মামলার অন্য আসামিা হলেন খুলশী থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ হোসেন, তাঁর স্ত্রী মোছাম্মৎ কাজল, হোসেনের অনুসারী মাহমুদুর রহমান, কামাল ওরফে কাঁচি কামাল ও রাবেয়া মুন্নী। আদালতের বেঞ্চ সহকারী তারিকুল ইসলাম বলেন, আদালত বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগে বাদী নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মনজুর আলমের সমর্থক দাবি করেন। মামলায় বলা হয়, বাদী নগরের এমইএস কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় আসামিরা বাদীকে প্রচারণা শুরুর পর থেকে হুমকি দিয়ে আসছেন। গত রোববার নির্বাচনের দিন বাদী নগরের খুলশী পাহাড়তলী ডিগ্রি কলেজ ভোটকেন্দ্রের চার’শ গজ দূরে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় নৌকার প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের নির্দেশে আসামি মোহাম্মদ হোসেন তাঁর কোমরে থাকা পিস্তল দিয়ে গুলি করতে থাকেন। গুলিটি তাঁর পেটের মাঝখানে নাভির ওপর গিয়ে লাগে। আহত অবস্থায় বাদীকে অন্য আসামিরা লাঠি ও হকিস্টিক দিয়ে পেটাতে থাকেন।
জানতে খুলশী থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, সেদিন কি ঘটেছে, কারা গুলি করেছে, সবাই জানেন। বাদী শান্ত বড়ুয়া এই এলাকার ভোটার নন। তিনি এই কেন্দ্রে আসেন ভাড়াটে হিসেবে। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।
গত রোববার দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনী সংঘর্ষে চট্টগ্রাম-১০ আসনের খুলশীর পাহাড়তলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে নৌকা ও ফুলকপি প্রতীকের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম-১০ আসনের খুলশীর পাহাড়তলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে নৌকা ও ফুলকপি প্রতীকের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে শামীম আজাদকে প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়তে দেখা যায়।
সংঘর্ষের সময় শান্ত বড়ুয়া (৩০) ও মো. জামাল (৩২) নামের দুজন গুলিবিদ্ধ হন।
ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ জামালের স্ত্রী হাজেরা বেগম বাদী হয়ে ঘটনার দিন রাতে শামীমকে ১ নম্বর আসামি করে খুলশী থানায় মামলা করেন। বাকি ৬ আসামি হলেন ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী রোমানা চৌধুরী, ওয়াসিমের অনুসারী কাজী কাউসার, মো. সুমন ও মো. পারভেজ। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়। এদের মধ্যে শামীমকে গত সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেন।


Discover more from Bangovumi

Subscribe to get the latest posts to your email.

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Discover more from Bangovumi

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading