কৃষি সংবাদসারাদেশ

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় শস্যের নীভিরতায় আউশ ধানসহ আদা ও পুষ্টি বাগান চাষ

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় শস্যের নীভিরতায় আউশ ধানসহ আদা ও পুষ্টি বাগান চাষ
এস এম হোসেন আলীঃ
কৃষি নির্ভর দেশ আমার সোনার বাংলাদেশ। এবার ময়মনসিংহের তারাকান্দায় শস্যের নীভিরতায় আউশ ধান আবাদ করে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের সাবেক ১ নং ওয়ার্ড অর্থাৎ ১ নং ব্লকে মোট ৬ টি গ্রাম রয়েছে যেমন- বিসকা,বাথুয়াদী,কাগচর, মেছেড়া, নগুয়া ও দয়ারামপুর গ্রামের প্রায় ৮০/৯০ জন কৃষক জমিতে আউশ ধান রোপণ করেছেন এবং বাম্পার ফলনের আশায় প্রচুর শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন তারা।
আউশ ধানের পাশাপাশি আবাদ করছেন ছায়াযুক্ত স্থানে বস্তায় আদা চাষ। তারপর বাড়ির পাশে ছায়াযুক্ত স্থানে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি বাগান। সারা বছর কৃষকেরা একটার পর একটা আবাদ করেই যাচ্ছেন। এতে সর্বদিকে লাভবান কৃষকেরা।
কৃষকের পাশে থেকে এই ব্লকের দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন মিজানুর রহমান উপ-সহকারী কৃষি অফিসার তারাকান্দা ময়মনসিংহ। তিনি রোদ বৃষ্টি ঝড় উপেক্ষা করে মাঠে থেকে কৃষকদের সঠিক পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছেন এবং কৃষকেরা সঠিক পরামর্শে জমিতে সার কিটনাশক পরিমাণ মত ক্ষেতে পানি এবং আগাছা নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন।
তারাকান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অরুনিমা কাঞ্চি সুপ্রভা শাওনের দিক নির্দেশনায় ও উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মিজানুর রহমানের পরামর্শে ক্লাস্টার আকারে পায় ৭ একর জমিতে আউশ ধান আবাদ করা হয়েছে। কৃষকের মধ্যে রয়েছে আঃ রশিদ মন্ডল, লাবু মিয়া, জিয়াউল হক, হাবিবুল্লাহ, আনোয়ার হোসেন, জহুর আলী, সোবহান মন্ডল প্রমুখ।
ছায়া যুক্ত জায়গায় ও পুকুর পাড়ে আদা চাষে বাম্পার ফলনের আশায় প্রায় সাড়ে তিন শত প্লাষ্টিকের বস্তায় মাটি ভরে আদা চাষ করছেন মেছেড়া (হাদিয়ারচর) এলাকার কৃষক মোহাম্মদ আলীর ছেলে কৃষক সাইফুল ইসলাম।
কৃষি অফিস কর্তৃক সার ও বীজ প্রণোদনা হিসেবে পেয়ে কৃষকেরা অনেকটাই আগ্রহ হয়ে ফসল উৎপাদনে বাম্পার ফলনের আশায় কাজ করে যাচ্ছেন তারা।অনাবাদি জমিতে প্রায় ১৫ টি পুষ্টি বাগান বাস্তবায়িত রয়েছে।মৌসুম ভিত্তিক কৃষক কৃষানীদেরকে বিভিন্ন সময়ে যেমন পাটনার প্রজেক্ট,সাইট্রাস ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ প্রকল্পের মাধ্যমে অসংখ্য কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে।
কৃষকদেরকে সঠিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।আমনে স্বল্প মেয়াদি জাত যেমন ব্রী ধান ৭১,৭৫,৮৭ বিনা ধান ১১,১৭,২০,২২ হাইব্রিড জাত ধান ধানি গোল্ড জাতীয় জাত গুলো বেশী করে আবাদ করে।সব মিলিয়ে তারাকান্দা উপজেলা কৃষি অফিস কর্তৃক কৃষি কর্মকর্তার দিক-নির্দেশনায় কৃষকদের সঠিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যাতে করে ফসলের নীভিড়তা বৃদ্ধি পায় এতে দেশ বাঁচবে ও দেশের কৃষক বাঁচবে।

Discover more from Bangovumi

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Discover more from Bangovumi

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading