সারাদেশ

মীরসরাইয়ে সংখ্যালঘ্যু পরিবারকে দেশত্যাগের হুমকির ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মীরসরাইয়ে সংখ্যালঘ্যু পরিবারকে দেশত্যাগের হুমকির ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ::

আজ ১৫ জুন ২০২৪ ইং, রোজ: শনিবার, সকাল ১১.০০টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব, এস রহমান হলেক চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ১১নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের ৩ গড়িয়াটোলা গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেশত্যাগের হুমকি সহ ভিটেমাটি, পৈত্রিক জায়গা সম্পত্তি জোর পূর্বক দখলের পায়ঁতারাসহ হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগীদের পক্ষে হিরা লাল নাথ। এ সময় আবেগঘন মুহুর্তে সাংবাদিকদের সামনে অসহায় পরিবারটি তাদের জানমাল জীবনের নিরাপত্তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট আকুল আবেদন জানিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হিরা লাল দেবনাথের পরিবারের ছোট বোন উক্ত সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ্যে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। উক্ত সংবাদ সম্মেলন গণমাধ্যমকমীর্সহ স্থানীয় সুশিল সমাজ ও প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকতার্র্রা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, ১৫ জুন ২০২৪ ইং, রোজ: শনিবার, সকাল ১১.০০টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব, এস রহমান হলেক চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ১১নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের ৩ গড়িয়াটোলা গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেশত্যাগের হুমকি সহ ভিটেমাটি, পৈত্রিক জায়গা সম্পত্তি জোর পূর্বক দখলের পায়ঁতারাসহ হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। মীরসরাইয়ের মঘাদিয়া ইউনিয়নের একটি বাড়িতে প্রতিটি সন্ধ্যা নামে আতংক নিয়ে।

প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এক সংখ্যালঘু পরিবারকে রাতের আঁধারে বসতঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়ে মেরে ফেলার হুমকিতে ওই পরিবার ও আশপাশের বাসিন্দাদের এমন আতংক বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন।

গতকাল শনিবার সাকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে এ অভিযোগ আনেন মীরসরাইয়ের ১১নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের তিন গড়িয়াটোলা গ্রামের হীরালাল দেবনাথ ও তার পরিবার। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দুস্কৃতকারীরা বেপরোয়া হয়ে আমাদের সম্পদগুলো অনৈতিক পন্থায় রাতের আধাঁরে দখল করার পায়ঁতারা চালিয়ে ইতিপূর্বে স্কেলেভেটার মেশিন দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে ফসলি জমির মাটি কেট্ে পুকুর খননের চেষ্টা করায় বিষয়টি প্রশাসনকে অবগত করলে আমরা প্রাণে রক্ষা পায়।

কন্তু তারা আরো বেপরোয়া হলে বর্তমানে আমাদেরকে জোর পূর্বক দেশত্যাগ সহ ক্সপত্রিক ভিটেমাটি ও ফসলি জমি জোর জবলদখল করে আমাদের স্বপরিবারকে যে কোন হত্যাসহ ঘুমন্ত পরিবারের সদস্যদের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি প্রদান করে। তাই আমাদের প্রতিনিট সন্ধ্যা নামে আতংক নিয়ে। সারারাত আতংকে ঘুমাতে পারিনা পরিবারের সদস্যরা।

তিনি বলেন, উক্ত ঘটনার প্রতিবাদে ইতিপূর্বেও এলাকায় আমরা বিচার চেয়ে আমাদের মানববন্ধন চলাকালীন সময় ওবায়দুল হক গংদের পক্ষে তাজুল হকের পুত্র মোহাম্মদ ফারুক উপর ক্ষীপ্ত হয়ে নগেন্দ্র কুমার গংদেরকে মারার জন্য তেড়ে আসে।

তিনি বলেন, ইয়াবা মদ বিক্রয়কারী ক্যাডার ফারুকের চত্রছাঁয়ায় সংঘবদ্ধ অপরাধীরা যথাক্রমে মাহফুজল হক, ফজলুল হক, সালেহা বেগম, জোবেদা আক্তার, রাশেদা আক্তার, মুর্শিদা আক্তার, ফরিদা আক্তার, সাজেদা বেগম, জোসনা আরা বেগম, রহিমা আক্তার, আজিম, মেজবাউর রহমান, মোঃ আতাউর রহমান, নাজনিন সুলতানা, নাফিজা আক্তার রাইসা, রোকেয়া বেগম, ওহিদুর রহমান বাবু, কামরুন নেছা মুন্নি, মেহেরুন নেছা, আয়েশা সুলতানা সুমি, বিবি হাজেরা বেগম, রেহেনা আক্তার, মনজুর মোরশেদ, কামাল, কাওছার, আতাহার হোসেন চৌ, রাহাত আরা চৌ, তারেক উজ জামান চেী, মোশাররফ হোসেনসহ নারী পুরুষ সবাই মিলে ভিটেমাটি ফসলি জমি ও পৈত্রিক সম্পত্তি জোর জবর দখলসহ বাংলাদেশ ছেড়ে অন্যত্রে চলে যাওয়ার হুমকি দেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ওবায়দুল হক গংরা চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রি অফিসে ১৭১১নং কবলামূলে ১৯৫৮ সালে ৭ জুলাই উক্ত সম্পত্তি খরিদ করেছে মর্মে খরিদা একখানা কবলা দাখিল করেন। কিন্তুু কবলাটি ষ্ট্যাম্পের উপর না লিখে সাদা কাগজের উপর মূল দলিল হিসেবে চালিয়ে দেন ওবায়দুল হক গং তিন পৃষ্ঠার সাদা কবলাটি। তিনি বলেন, মধ্যম মঘাদিয়া মে․জা আর.এস ২৪৩ মোতাবেক শরৎ চন্দ্র নাথ, গগন চন্দ্র নাথ, বন মালি নাথ, পিতা— রাম গোবিন্দ নাথগংদের নামে দাগ নং— ৩৫৪২ মূলে ২৪ শতক, ৪৫৭৬ নং দাগে মূলে ৮৫ শতক ও ৩৫৮০ দাগের মূলে ০৭ শতকসহ মোট ০১ একর ১৬ শতক নাল জমি রেকর্ডভুক্ত আছে নগেন্দ্র কুমারগংদের নামে। এ বিষয়ে আদালত ঘটনার সত্যতা তদন্তের জন্য গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডির হাতে চট্টগ্রাম মামলাটির তদন্তের ভার প্রেরণ করেন এবং সিআইডির প্রাপ্ত তদন্ত মোতাবেক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, মীরসরাই থানাধীন পূর্ব ইছাখালী মে․জার ২২০৭ নং রায়ত্বী স্বত্ব জমির মূল পাট্টা তপশীল মে․জা পূর্ব ইছাখালী জেলা চট্টগ্রামের মহল নং ৩৪৬০৯ নোয়াবাদ ২৬৭৪ নং ইজারা ক্সকলাস চন্দ্র দাশ মালিক, রাজ কৃষ্ণ বন্দোপধ্যায় জেনারের ম্যানেজারের অধীনে রায়তী শরৎ চন্দ্র নাথ ২২০৭ নং রায়তি পাট্টা মোতাবেক আরএস জরিপের ১২৩২ নং এর অধীনে ১৭৫৬ নং খতিয়ানভুক্ত হয়।

তিনি বলেন, ১৭৫৬ নং খতিয়ানের ২২০৭ রায়তি পাট্টা দিয়ে শরৎ চন্দ্র নাথ তাহার ভাইদেরকে নিয়ে মীরসরাই সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ১৯৪০ ইং সালের আরএস এবং পাট্টা অর্ন্তভুক্ত করিয়া দলিল উক্ত দলিল মোতাবেক শরৎ চন্দ্র নাথ, গগন চন্দ্র নাথ, বনমালী নাথ কিন্তু বিবাদী ওবায়দুল হক গং ৪৭/২০০৫ ইং মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।

এই মামলার সম্পূর্ণ রায়ের আদেশ আদালতে নগেন্দ্র কুমার গংদের পক্ষে থাকে। মিথ্যা মামলায় হয়রানি থেকে বাঁচতে নগেন্দ্র কুমারগং চট্টগ্রাম চীফ জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে আদালতে একটি সিআর মামলা (নং— নং— ১০৬/২০০৬) দায়ের করেন ওবায়দুল হক গংদের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে সত্যতা পাওয়ায় আদালত ওবায়দুল হক গংদের জেল হাজতে প্রেরণ করেন।সম্প্রতি জানতে পারি এরা চট্টগ্রাম সাব রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে লেনদেনের মাধ্যমে জাল দলিল (যার দলিল নং— ১৭১১, তারিখ: ২০/০৩/১৯৫৮ )সৃজন করে কিছু জায়গা চট্টগ্রাম শহরের এম.এ.এফ সুজ লিঃ এর নিকট আ


Discover more from Bangovumi

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Discover more from Bangovumi

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading